রঙিলা’র সংসার!


আব্দুল হামিদের ঘর থেকে নারী কন্ঠের কান্নার শব্দ ভেসে আসে প্রতিনিয়তই! পাড়াপড়শিরা এখন আর অবাক হয়না! এ তো নিত্যদিনের ব্যাপার! বরং একদিন রঙিলার কান্নার আওয়াজ না পেলে তারা অবাক হয়! আহা! বউ পেঠাতে দারুণ মজা! এর কোনো বিচার আচার নাই! বউ একটু সহে নিলেই হইলো! আব্দুল হামিদ পুরুষ মানুষ! বউকে রোজগার করে এনে খাওয়ায়! বউয়ের জন্য আলতা টুঠপালিশ এনে দেয়! বউয়ের সকল চাহিদা সে পূরণ করে। বউয়ের সবকিছুর উপর সম্পুর্ণ অধিকার তার আছে! Read the rest of this entry

“পুরুষ হবো!!”


ভাবছি এবার পুরুষ হবো, সংসার করবো জয়,
কিন্তু, সংসারেতে গিন্নী আছে, সেখানটাতেই ভয়।
যখন আমি উঠে দাঁড়াই, মাথা করে সোজা,
গিন্নী তখন চেঁচিয়ে বলে, বুঝিয়ে দেবো মজা! Read the rest of this entry

মন্ত্রী ও তার স্ত্রীর কথোপকথন।


আমি হলাম মন্ত্রী
সরকারী যন্ত্রী
ভাঙ্গা ঢুল বাজাই নিরবধি,
সরকারী খাইদাই
নাকডেকে ঘুমাই
এ সুখ লিখেছিলো বিধি। Read the rest of this entry

তবু হবো গুরু!


পেটেতে গোলমাল দুষ দেই কাহারে,
তেলেভাজা সব চলে মজা যে আহারে।
নিজের পেটব্যথা, ছাড়েনা যে মন্ত্রে
কোথা’যাই হায় হায় ছাড়বে কী যন্ত্রে?
তবুও, অন্যকে উপদেশ করি শুধু বর্ষণ। Read the rest of this entry

“স্টার জলসা ও জি বাংলার নাটক কে না বলুন”


স্টার জলসা আর জি বাংলার নাটকগুলো দেখার কারণে আমাদের সমাজে পারিবারিক অশান্তির সৃস্টি হচ্ছে চরমভাবে! এসব অবাস্তব পারিবারিক কাহিনীগুলো পরিবারের সদস্যদের মাঝে নানারকম বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃস্টি করছে! নাটকে ঘটে যাওয়া পারিবারিক ঘটনা ও চরিত্রগুলো অনেকেই নিজের অবস্থান, পরিবার ও জীবনের সাথে মিলিয়ে ফেলে, যা কাম্য নয়। Read the rest of this entry

আহা চেয়ার!


নদীবক্ষ হইতে একখানা রাজচেয়ার উত্তীত হইয়াছে বলিয়া রাজ্যজুড়ে খবর ছড়াইয়া গিয়াছে। সকল প্রজাগণ চেয়ার খানা এক নজর দেখিতে নদীতটে উপস্থিত হইতেছেন। এ যে দেখিতে রাজার চেয়ারের মতো! তাই নানাজন নানা তত্ব দাঁড় করাইতেছে। Read the rest of this entry

“গুরু শিষ্য’র কথোপকথন”


একদা গুরু শিষ্য’র বাড়িতে….
শিষ্যঃ গুরু, আমার অবস্থা এখন খুবই খারাপ! মারাত্মক অর্থ সংকট। কীভাবে যে বেঁচেবর্তে চলি কিছুই বুঝতে পারছিনা!! আমাকে দয়া করুন গুরু।
গুরুঃ আমি দয়া করার কেউ নয় পুত্র, যা করার ঈশ্বর করবেন। তিনিই বাঁচানোর মালিক, তিনিই খাওয়ানোর মালিক। গুরুর প্রতি খেয়াল রেখো, ঈশ্বর সন্তুষ্ট হবেন।
শিষ্যঃ যথা আজ্ঞা গুরু। Read the rest of this entry

আইন!


অনেক কস্ট করে ও সময় ব্যয় করে রাজা তার রাজ্যের উপযোগী একটি আইন রচনা করেছেন। কিন্তু বারংবার তার রচিত সেই গ্রন্থখানা চুরি হয়ে যায়! আবার খুঁজে পেতে অনেক ঝামেলা! কী আর হবে, অনেক ভেবেচিন্তে রাজা ঠিক করলেন, আজ থেকে মহামূল্যবান সেই গ্রন্থখানা রানীর কাপড়ের তলে রাখবেন! কিন্তু রানী এতোবড় গ্রন্থ রাখতে রাজী হননা! অনেক বলেকয়ে রানীকে রাজী করিয়ে গ্রন্থখানা তার কাপড় মানে শাড়ীর তলে রাখা হলো। রাজা এবার হাফ ছেড়ে বাঁচেন। রানীর জিম্মায় রাখা হয়েছে, আর হারাবেনা, চুরিও হবেনা। রাজা আরেকটি সুবিধার কথাও ভাবলেন, এবার থেকে আর কেউ তার আইন দেখতে পাবেনা। আর এই গ্রন্থটি কারো সামনে আনবেন না। মন্ত্রী টন্ত্রী কিচ্ছু নেই, তিনি যখন যা বলবেন সেটাই হবে আইন। এভাবেই রাজ্য চলতে লাগলো। একদিন রানী গেছেন বাপের বাড়ি, আর কীভাবে যেনো তার মহামূল্যবান গ্রন্থখানা হারিয়ে গেলো! অনেক খুঁজাখুঁজি করেও আর পাওয়া গেলোনা! রাজা বেজায় রেগে গেলেন এবং মুখ ফসকে মহামন্ত্রীকে বলে ফেললেন, “দুনিয়াটা কোথায় যে যাচ্ছে! এখনতো দেখছি রানীর কাপড়ের তলও আর নিরাপদ নয়!!”
মহামন্ত্রী লজ্জায় মুখ ফিরিয়ে নেন, আর বলেন, “মহারাজ, রানী’মার কাপড় নেড়েচেড়ে নাহয় আবার দেখুন”।।

আহা ইলিশ!


আসছে পয়লা বৈশাখের জন্য রাজা তার মন্ত্রী কে আদেশ করলেন- “যেখান থেকেই পারো আমার জন্য ইলিশ নিয়ে আসো। এমন একটা দিনে ইলিশ না খেলে আমার বাঙালীয়ানা থাকবে! আমি একজন রাজা, আমাকে দেখে সবাই শিখবে”
মন্ত্রী বলে- “মহারাজ, শুধু ইলিশ হলেতো বাঙালীয়ানা পুরোপুরি ফুটে উঠেনা। সংগে শুটকি ভর্তা, আলু ভর্তা, শুকনো মরিচ পোড়া না হলে চলে ক্যামনে!” Read the rest of this entry

“পিঁপড়ে কাহিনী!”


একদা সেনাপতি রাজার মাথা টিপতেছিলো। আহা! কী আরাম! মাথাব্যথাটা সেরেই গেলো। কিছুক্ষণ পর রাজা মহাশয় তার পায়েও ব্যথা টের পেলেন। সেনাপতিকে বললেন “সেনাপতি, তুমি আমার পা’টা একটু টিপে দাওতো বাছাধন। ওখানেও প্রচুর ব্যথা হচ্ছে” সেনাপতি মনে মনে খুব রাগ হয়! শালার রাজা, আমাকে দিয়ে তার পা’ও টেপাবে! দাঁত কুড়মুড় করে সে পা টিপতে থাকে। সেনাপতি মনে মনে বুদ্ধি আঁটলো, “আমাকে যখন তোমার পায়ে নামিয়ে দিয়েছো তাহলে এবার তোমার কানটাও মলে দেবো” ইতিমধ্যে অতি আরামে রাজার ঘুম চলে আসে। কিন্তু সেনাপতি কীভাবে রাজার কান মলে দেবে সে উপায় খুঁজে পাচ্ছেনা। এমন সময় তার পাশ দিয়ে দেখলো একটি পিঁপড়ে হেঁটে যাচ্ছে। Read the rest of this entry